১২ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

ঈদুল আজহায় ১৪ দিন বিশেষ নিরাপত্তা, চাঁদাবাজি রুখতে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img
spot_img
ঈদুল আজহা উপলক্ষে উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঈদের আগে ও পরে মোট ১৪ দিন দেশব্যাপী নিরাপত্তা জোরদার থাকবে। এ কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যা সরাসরি পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং কোরবানির পশুর হাটের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় ধর্মমন্ত্রী, বিজিএমইএ প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী পশুর হাটের নিরাপত্তায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তৈরি পোশাক খাতের (গার্মেন্টস) শ্রমিকদের ছুটি ও বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং সড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট রোধে পুলিশ বাহিনীর সার্বিক তৎপরতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।” চাঁদাবাজির কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে—বিরোধী দলীয় নেতার এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার প্রভাব নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আশ্বস্ত করে জানান, পশ্চিমবঙ্গের ওই ঘটনার কোনো নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না। এর জেরে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ‘পুশিং’-এর মতো কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী সম্পূর্ণ সচেষ্ট রয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ