২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় মেয়েদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। ফলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে ৬৪২ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৯৫০ জন।
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৫৩ জন।
এ ছাড়া সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৫২০ জন।
গত ২ জুলাই এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল।
শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানতে পারবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর, এরপর আরেকটি স্পেস দিয়ে ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি বার্তায় ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

