দেশে দলবদ্ধ সহিংসতা বা ‘মব’ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৫৩৭টি মবের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ২৫৬ জন নিহত এবং ৫৭৫ জন আহত হয়েছেন।
তুলনায় ২০২৫ সালে ৪২৮টি এবং ২০২৪ সালে ১৬৯টি মবের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরায় ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে ফেসবুকে লাইভ করে দফায় দফায় মারধরের পর মৃত্যুর ঘটনা আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির এক নেত্রীর নাম সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলো বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মানবাধিকারকর্মীদের মতে, সম্পত্তি দখল, রাজনৈতিক প্রভাব, ধর্মীয় অভিযোগসহ বিভিন্ন কারণে মব তৈরি হচ্ছে। আবার রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও বিভিন্ন ঘটনায় উঠে আসছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বারবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও মব নিয়ন্ত্রণে কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে।

