সব মামলা থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান এবং -স্ত্রী জুবাইদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img
spot_img

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সব মামলায় খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক বেঞ্চ থেকে দুর্নীতি মামলায় তার এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের খালাসের রায় ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্য দিয়ে সকল দণ্ড ও সাজা থেকে মুক্তি পেলেন তারেক রহমান। সোমবার (২৬ মে) শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজকের দিনটিকে রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারণ করেছিল।

দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, কায়সার কামাল ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে দায়িত্বে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আব্দুল করিম।

আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, “যেসব সম্পদ মামলায় অন্তর্ভুক্ত ছিল, সেগুলোর কোনোটিই জ্ঞাত আয়বহির্ভূত নয়। এগুলো বৈধভাবে বরাদ্দপ্রাপ্ত এবং সরকারিভাবে প্রাপ্ত সম্পত্তি।” তিনি আরও যোগ করেন, বিচারের নামে যা হয়েছিল, তা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত এক প্রহসন।”

১৭ বছর পর দেশে ফিরে মামলা থেকে মুক্তি ২০০৭ সালে দুদক রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করেছিল তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল—সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন।

২০২৩ সালের ২ আগস্ট নিম্ন আদালত তারেক রহমানকে মোট ৯ বছরের এবং ডা. জুবাইদাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়। পরে আপিলে উচ্চ আদালত ডা. জুবাইদার সাজা স্থগিত করে জামিন মঞ্জুর করেন এবং আজ উভয়কে অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ খালাস দেন।

২০০৮ সালে দেশ ত্যাগের পর এ বছর ৬ মে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ১৭ বছর পর ঢাকায় ফেরেন। শাশুড়ি বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে ফিরে তিনি আদালতে হাজির হয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

এই রায়ের মাধ্যমে তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী উভয়েই বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থায় সব ধরনের অপরাধমূলক অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেন। বিএনপি নেতাদের মতে, এটি শুধু একক আইনি বিজয় নয়—রাজনৈতিকভাবে দিক পরিবর্তনের সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।

সর্বশেষ নিউজ