১১ মে ২০২৬, সোমবার

কুমারখালীতে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান, প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
spot_img
spot_img
কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এই কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ের সামনে এই শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এ সময় স্টেশন এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

বিক্ষোভকারীরা মূলত খুলনা-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ও ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কুমারখালী স্টেশনে যাত্রাবিরতির জোর দাবি জানান।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন এই আয়োজনের উদ্যোক্তা ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস, জামায়াতে ইসলামী কুমারখালী উপজেলা শাখার নায়েবে আমির শামসুদ্দিন আহমাদ, কুমারখালী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম জিলাল এবং কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমির প্রমুখ।

প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচির পর কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা আগামী ২৭ জুনের মধ্যে কুমারখালী স্টেশনে অন্তত একটি আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর আশ্বাস দেন।

প্রশাসনের এই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা শাকিল আহমেদ তিয়াস। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।

একই দাবি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা শামসুদ্দিন আহমাদ বলেন, “কুমারখালীতে বেনাপোল এবং সুন্দরবন এক্সপ্রেস—এই দুটি ট্রেনেরই স্টপেজ দিতে হবে, অন্যথায় আমাদের এই আন্দোলন আরও কঠোর আকার ধারণ করবে।”

সর্বশেষ নিউজ